ডেটলাইন দুর্গাপুরঃ বাবা অনেক কষ্ট করে ৮ হাজার টাকা দামের একটি মোবাইল কিনে দিয়েছিল তাকে। কিন্তু সে সেই মোবাইলটি রাখতে পারল না। আর সেই শোকেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করল দুর্গাপুরের মাইকেল মধুসূদন কলেজের ইতিহাস,অনার্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী নিবেদিতা বারুই(১৮)। শোকাবহ ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর পুরসভার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের সুকান্ত পল্লীতে। জানা গেছে, মৃতের বাবা বিপুল বারুই পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। মোবাইল কিনে দেওয়ার জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই তার কাছে আবদার করছিল মেয়ে। বাবা বলেছিলেন একটু অপেক্ষা করতে,হাতে টাকা এলেই কিনে দেবেন। এরপর ৮-৯ দিন আগে ৮০০০ টাকা দিয়ে মেয়েকে একটি মোবাইল কিনে দেন বিপুলবাবু। গত শনিবার জানালার পাশে মোবাইল চার্জ দেওয়ার সময় তা চুরি হয়ে গেলে মনমরা হয়ে পড়ে নিবেদিতা। বিপুলবাবু জানান,আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষে তারা ফারাক্কা গিয়েছিলেন। বাড়ীতে নিবেদিতার ভাই ও দিদা ছিল।গতকাল বিকেল থেকেই ঘরের দরজা দীর্ঘক্ষন বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয় ভাই বাপি বারুইয়ের। পেছনের জানলা দিয়ে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় বোনের দেহ দেখতে পায় সে । এরপর প্রতিবেশীদের ডেকে ঘরের টালির চাল সরিয়ে দেহ নামিয়ে মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। মৃতের কাছে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়। তাতে সে লিখেছে,‘ফোনটা আমার কাছে অনেক মূল্যবান ছিল। বাবা অনেক কষ্ট করে মোবাইলটা কিনে দিয়েছিল। ওটা ছিল আমার জীবন। সেটা রাখতে পারলাম না,তাই আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ি নয়’। এই ঘটনায় বারুই পরিবারের সঙ্গেই প্রতিবেশীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Latest article
বিবাহ উপলক্ষ্যে পরিবারের উদ্যোগে দুর্গাপুরে রক্তদান শিবির
ডেটলাইন দুর্গাপুর,৩০মার্চঃ গ্রীষ্মকালীন সময়ে রক্তের সংকট নিরসন এবং পরিবারভিত্তিক রক্তদান শিবির বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি-র সহ-সভাপতি,বিশিষ্ট আইনজীবী আয়ূব...
প্রচারে নেমে পড়লেন দুর্গাপুরের দুই কংগ্রেস প্রার্থী
ডেটলাইন দুর্গাপুর,৩০মার্চঃ দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রবিবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় কংগ্রেস। এই তালিকায় দেখা গেছে এবার দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে প্রার্থী...
বাসস্ট্যান্ডে চা খেতে গিয়েও জনসংযোগে প্রার্থী কবি দত্ত
ডেটলাইন দুর্গাপুর,২৮ মার্চঃ বরাবর রাজনীতির বাইরে থাকতে পছন্দ করলেও এবার তাঁকেই দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে প্রার্থী করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই,শেষ পর্যন্ত...














