ডেটলাইন কলকাতাঃ প্রয়াত হলেন তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্য অন্যতম নেতা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায় (৭৩)। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। এদিন সকাল থেকেই পঙ্কজবাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পঙ্কজবাবুর অবস্থার চরম অবনতি হলে ঢাকুরিয়ার আমরি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় পরিবারের তরফে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে দেয় আমরি কর্তৃপক্ষ। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে তাঁর দেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর পারিবারিক চিকিৎসক জানান, পঙ্কজবাবুর দেহে প্রাণ রয়েছে। তিনি এখনও বেঁচে। এরপরই ওই চিকিৎসক এবং আরও দু’জন পঙ্কজবাবুকে পরীক্ষা করে হৃৎপিণ্ড সচল থাকার কথা জানান। তখন সেখানে তৃণমূলের একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যেই ছিলেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও। তার উদ্যোগেই বাড়ি থেকে পঙ্কজবাবুকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী ফর্টিস হাসপাতালে। সেখানে অবশ্য চিকিৎসকরা ইসিজি পরীক্ষা করে জানান, তিনি মৃত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনিও কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও পঙ্কজবাবু অন্য কয়েকজনের সঙ্গে মমতার পাশে ছিলেন। বাম আমল থেকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি দাপটের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। টালীগঞ্জ কেন্দ্র থেকে তিনি একাধিকবার বিধানসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১ সালে দলনেত্রীর কথায় টালিগঞ্জ বিধানসভা থেকে ফের জয় লাভ করেন। বিরোধী দলনেতাও নির্বাচিত হন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে শারীরিক কারনে আর সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে থাকতে পারেননি। তাঁর প্রয়াণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেই শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
Latest article
রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে অভিনব মিছিল তৃণমূলের
ডেটলাইন দুর্গাপুর,৭ মার্চঃ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারনে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকায় তার প্রভাবে ভারতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরী...
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ‘মা ক্যান্টিন’এর শেড উদ্বোধন
ডেটলাইন দুর্গাপুরঃ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্যের অনেক এলাকায় গরীব ও সাধারন মানুষদের জন্য নামমাত্র টাকার বিনিময়ে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা...
বসন্তকালে রং-বিহীন দোল হয় আদিবাসীদের গ্রামে
ডেটলাইন আসানসোলঃ রঙের উৎসব দোল উৎসবে বা হোলি। কিন্ত,পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এমনও এলাকা আছে,যেখানে রং ছাড়াই পালিত হয় দোল তথা বসন্ত উৎসব।...














