ডেটলাইন বাঁকুড়াঃ কেরালায় বন্যা পরিস্থিতি বিধ্বংসী আকার নিয়েছে। ইতিমধ্যে বন্যা ও ধসে ৩২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রায় ৩ লাখ লোক ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ভিন রাজ্যের অনেকেই কেরালায় গিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে আটকে পড়েছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেকেরই কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার দুই যুবকের ক্ষেত্রেও। মাস তিনেক আগে বাঁকুড়ার ছাতনা এলাকার শোয়ারবাকড়া গ্রামের অভিজিৎ মণ্ডল ও রামশঙ্কর মণ্ডল নামে দুই যুবক কাজের সন্ধানে কেরালায় যায়। সেখানে তারা একটি ঠিকাদারী সংস্থায় কাজ পেয়েছে বলে বাড়িতে জানায়। বাড়িতে নিত্য অভাব। সে কারনেই তাদের ভিন রাজ্যে যেতে হয়েছে বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন তাদের কোন খোঁজ না পেয়ে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর উৎকন্ঠা। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে দিন তিনেক আগে ছেলেদের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছে। তার পর থেকে মোবাইল বন্ধ। তাদের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে পরিবারের সদস্যরা। দুই যুবককে ফিরে পেতে রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তারা। শুধু বাঁকুড়া নয়,এরাজ্যের একাধিক জেলা থেকে গরীব পরিবারের অনেক যুবকই কেরালায় কাজের সন্ধানে গিয়ে থাকে। এবিষয়ে আরও অনেক পরিবারের পক্ষ থেকেই রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানানোয় সক্রিয় হয়ে উঠেছে নবান্ন। শুরু হয়েছে খোঁজকবর নেওয়া। সেই সূত্রেই এদিন শোয়ারবাকড়া গ্রামে এসে দুই যুবকের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে যান পুলিশের কয়েকজন আধিকারিক। তারা জানিয়েছেন, কেরালায় যোগাযোগ করার সবরকম চেষ্টা চলছে।
Latest article
বিবাহ উপলক্ষ্যে পরিবারের উদ্যোগে দুর্গাপুরে রক্তদান শিবির
ডেটলাইন দুর্গাপুর,৩০মার্চঃ গ্রীষ্মকালীন সময়ে রক্তের সংকট নিরসন এবং পরিবারভিত্তিক রক্তদান শিবির বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি-র সহ-সভাপতি,বিশিষ্ট আইনজীবী আয়ূব...
প্রচারে নেমে পড়লেন দুর্গাপুরের দুই কংগ্রেস প্রার্থী
ডেটলাইন দুর্গাপুর,৩০মার্চঃ দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রবিবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় কংগ্রেস। এই তালিকায় দেখা গেছে এবার দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে প্রার্থী...
বাসস্ট্যান্ডে চা খেতে গিয়েও জনসংযোগে প্রার্থী কবি দত্ত
ডেটলাইন দুর্গাপুর,২৮ মার্চঃ বরাবর রাজনীতির বাইরে থাকতে পছন্দ করলেও এবার তাঁকেই দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে প্রার্থী করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই,শেষ পর্যন্ত...














