ডেটলাইন দুর্গাপুরঃ শাস্ত্রমতে ষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আর দশমীতে বিসর্জন। কিন্তু, দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির এতোটাই উৎসাহ ও উন্মাদনা যে কার্যত মহালয়া থেকেই উৎসবের আনন্দে মেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাঙালি। কলকাতাসহ রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় তো শুভ মহালয়ার দিনই দুর্গাপুজোর উদ্বোধনের রেওয়াজ শুরু হয়েছে। বাংলার সেরা এই উৎসবে বাড়তি মাত্রা যোগ করে মহালয়া। বুধবার কাকভোরে চিরাচরিত রীতি মেনে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে স্তোত্রপাঠ শুনেই যেন বাঙালির মনে পুজোর দোলা লেগে যায়। মহালয়ার সঙ্গেই শাস্ত্র মতে গঙ্গাসহ রাজ্যের সব গুরুত্বপূর্ণ নদনদীর ঘাটেই পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন মানুষ। তিথি মেনে মহালয়ার দিন ভোর থেকেই সাধারণত তর্পণ করা শুরু হয়। দুর্গাপুর ব্যারেজেও ছিল সেই একই দৃশ্য। দামোদরের ঘাটে ভোর থেকেই বহু মানুষের সমাগম হয়। তারা পিতৃ পুরুষের উদ্দেশ্যে মঙ্গল কামনা করেন। শয়ে শয়ে মানুষ দামোদরের ধারে পিতৃ তর্পণে ব্যস্ত ছিলেন। তর্পণ পর্ব যাতে নির্বিঘ্নে হতে পারে তার জন্য দামোদর পাড়ে ছিল কড়া পুলিশী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ছিল বিপর্যয় মোকাবিলা দলও । এমনকি মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে ঘোষনাও করা হচ্ছিল।














